প্রচ্ছদ দেশজুড়ে আমন ধানে পোকার আক্রমণে দিশেহারা কৃষক

আমন ধানে পোকার আক্রমণে দিশেহারা কৃষক

31
0
আমন ধানে পোকার আক্রমণে দিশেহারা কৃষক
আমন ধানে পোকার আক্রমণে দিশেহারা কৃষক

দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দক্ষিণ অঞ্চলে প্রবল বন্যায় যেমনি বন্যায় ভেসে যাচ্ছে বাড়িঘর,স্কুল কলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তেমনী  উত্তর বঙ্গের কয়েকটি জেলা দিনাজপুর, ঠাকুরগাও ও পঞ্চগড়রে অনা বৃষ্টিতে মরে যাচ্ছে কৃষকের ফসলের মাঠ।

এ বছর পুরো মৌসুমেও তেমন বৃষ্টি না হওয়ায় প্রায় জমিতেই সেচ পাম্প দিয়ে পানি সেচ দিয়ে কৃষক আমন ধানের চাষ করেছে । কৃষক ভেবেছে পরে বৃষ্টি হবে কিন্তু বর্ষা প্রায় শেষের দিকে হওয়া সত্ত্বেও বৃষ্টির তেমন দেখা নেই ।  যে টুকু বৃষ্টি হয়েছে তা যথেষ্ট নয়। প্রায় সময়ই সেচ যন্ত্র চালিয়ে জমিতে পানি সেচ দিতে হচ্ছে , পর্যাপ্ত পানির অভাবে কৃষকের আমন ধানে বিভিন্ন রকম রোগ বালাই দেখা দিয়েছে। তেমনি একজন কৃষক রাকিব বলেন, সে 2একর জমিতে 49জানের আমন ধানের বীজ রোপন করেছেন। এই দুই একর জমিতে এ পর্যন্ত তার খরচ হয়েছে প্রায় 25000/- পচিশ হাজার টাকা । সপ্তাহে প্রায় 2বার তাকে জমিতে সেচ পাম্প দিয়ে পানি দিতে হয়। এবং ধান লাগানেরা পর থেকে এ পর্যন্ত 4বার কীটনাশক ব্যবহার করেছে। কিন্তু তাতেও ফসলের রোগ বালাই থামছে না।

বাজারে বিভিন্ন রকম ভেজাল কীটনাশকে সয়লাব ফলে কোনটি আসল আর কোনটি নকল তা সাধারণ কৃষক বুজতে পারছে না। এবং কীটনাশকের দাম ও অনেক বেশী অপর দিকে কীটনাশক ও বালাই নাশক ছিটানোর পরে তেমন কোন কাজ করছে না। রাকিব বলছে, সামনে প্রায় আরো 2মাস ধান জমিতে থাকবে ফলে আরো যে কতবার বালাই নাশক  দিতে হবে তার কোন হিসাব নেই। কারন প্রতি সপ্তাহেই তাতে বালাই নাশক স্প্রে করতে হচ্ছে। ভাল মানের ঔষধ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না ভেজাল ঔষধে বাজার সয়লাব।এভাবে খরচ বৃদ্ধি পেলে সাধারণ কৃষক ব্যাপক ভাবে ক্ষতি গ্রহস্ত হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পরিদর্শন বৃদ্ধি করে কৃষকদের পরামর্শের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। অপর দিকে বাজার মনিটরিং করে ভেজাল ঔষধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। নতুবা কৃষক ব্যাপক  ভাবে ক্ষতি গ্রহস্ত হবে।

মোঃ সাইফুল ইসলাম